Sunday , December 6 2020
Breaking News
Home / স্বাস্থ্য / ভারতের ৭৬ শতাংশ মানুষ পুষ্টিকর খাবার পায় নাঃ গবেষণায় জরিপ

ভারতের ৭৬ শতাংশ মানুষ পুষ্টিকর খাবার পায় নাঃ গবেষণায় জরিপ

ভারতে গ্রামের মানুষের চার জনের মধ্যে তিন জনই পুষ্টিকর খাবার দাবার পান না। তাঁদের যাবতীয় রোগের কারণ অপুষ্টিই। ‘ফুড পলিসি’ জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্র এ কথা জানিয়েছে।

গবেষণাপত্রটি এও জানিয়েছে সেই গ্রামীণ মানুষজন যদি তাঁদের আয়ের পুরোটাই খরচ করেন খাদ্যের জন্য, তা হলেও প্রতি তিন জনের মধ্যে দু’জনই সবচেয়ে সস্তার পুষ্টিকর খাবারদাবার কিনতে পারেন না। বিশেষজ্ঞদের একাংশে মতে, এই গবেষণা দেখাল খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে সরকারি বাগাড়ম্বর কতটা ফাঁপা।

দেশের গ্রামীণ জনসংখ্যা পুষ্টিকর খাদ্য পাচ্ছেন কি না তা নিয়ে কেন্দ্রের আর্থিক সমীক্ষাগুলি তৈরি করা হয় যে সব মানদণ্ডের ভিত্তিতে এই গবেষণা তার ব্যাপ্তি বাড়িয়েছে। যাতে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে এই সমীক্ষার আওতায় আনা যায়। পুষ্টিকর খাবার কিনে খাওয়ার মতো তাঁদের আর্থিক স্বচ্ছ্বলতা সত্যি সত্যিই এসেছে কি না সেটা আরও ভাল ভাবে বোঝা যায়। ফলে এই গবেষণায় শিল্পশ্রমিকদের পাশাপাশি অদক্ষ কর্মী, শ্রমিকদের গড় দৈনিক বা মাসিক আয়ের মানদণ্ডটিও ব্যবহৃত হয়েছে। পুষ্টিকর খাবারদাবারের মধ্যে ডেয়ারিজাত দ্রব্য, ফল, টাটকা আনাজপাতি ও শাকসব্জিকেও ধরা হয়েছে।

দ্য ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর নিউট্রিশন-এর গাইডলাইন বলছে, পুষ্টিকর খাদ্য হিসাবে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি দিন ৩৩০ গ্রাম করে খাদ্যশস্য এবং ৭৫ গ্রাম করে ডাল খাওয়া উচিত। সঙ্গে খেতে হবে ৩০০ গ্রাম করে ডেয়ারিজাত খাবার, ১০০ গ্রাম করে ফল এবং ৩০০ গ্রাম করে আনাজপাতি। তার মধ্যে অন্তত ১০০ গ্রাম টাটকা শাকসবজিও থাকা বাঞ্ছনীয়।

গবেষণা হিসাব কষে এও জানিয়েছে, এই সব পুষ্টিকর খাবার রোজ খেতে গেলে খরচ হবে ৪৫ থেকে ৫১ টাকা করে। তারই প্রেক্ষিতে গবেষণা জানিয়েছে আয়ের পুরোটাই খাবার কেনার জন্য খরচ করলেও ভারতের গ্রামীণ মানুষের ৬৩.৩ শতাংশই এই খাবার কিনতে পারছেন না। সংখ্যার হিসাবে ৫২ কোটিরও বেশি ভারতীয়। আর যদি তাঁরা আয়ের দুই-তৃতীংয়াংশ পুষ্টিকর খাবার কেনায় খরচ করেন তা হলে ৭৬ শতাংশেরও বেশি গ্রামীণ মানুষ ওই সব খাবারদাবার খেতে পারছেন না।

About noman munshi

Check Also

স্ট্রোকের পূর্বাভাস !

পৃথিবীতে যত মানুষ স্ট্রোক করে মারা যান তাদের বড় একটা অংশের বিপদ শুরু হয় বাথরুম …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *